Skip to main content

Who I am? আমি কে?

পরিচিতি 

মো: মুক্তারুল ইসলাম মুক্তার সরকার । জন্ম ২০০০ সালের ১২ ই মার্চ এবং বাংলা ১৪০৬ সালের ২৯ শে ফাল্গুন গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার এক মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। চার ভাই বোনের মধ্যে সবার ছোট এবং সবার আদরের। 

শিক্ষাগত যোগ্যতা :

বি.এ অনার্স (বাংলা) সম্পূর্ণ করেন পলাশবাড়ী সরকারি কলেজ থেকে। বর্তমানে এম.এ মাস্টার্স (বাংলা) অধ্যয়নরত সরকারি আজিজুল হক কলেজ । 

লেখালেখি :

মাসিক সাহিত্য লিপি থেকে প্রথম যৌথ কবিতা প্রকাশিত হয় "বর্ষাকাল"। 

মাসিক সময়ের সুর থেকে প্রকাশিত হয় যৌথ কবিতা “সুখের খোঁজে” অন্তরীক্ষে দহন, “পথ হারা পথিক” সত্যের পথে, "সেই স্মৃতি মনে পড়ে" সন্তান আমার চোখের মনি, "স্মার্টফোন" কোথাও কেউ নেই, "নীড়ে ফেড়া পাখি" পাষাণ সমাজ কবিতার বইয়ে। 

ডাক বাংলা সাহিত্য একাডেমি থেকে প্রকাশিত হয় যৌথ কবিতা “মা তোমার বউমা” মাগো জন্ম আমার তোমার কোলে কবিতার বইয়ে। 

স্বরবর্ণ প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয় যৌথ কবিতা “ কোথায় তোমার সেই স্বাধীনতা ” রণতন্ত্র কবিতার বইয়ে।

পুরস্কার :

ডাক বাংলা সাহিত্য একাডেমিক ও মাসিক সময়ের সুর থেকে সনদ প্রাপ্ত। মাসিক সময়ের সুর থেকে সেরা কবি নির্বাচিত হওয়ায় ২০২১ এ ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়।

ছোটবেলা থেকেই লেখালেখি শুরু হয় কখনো গান, আবার কখনো কবিতা, আবার কখনো গল্প। তার লেখা অনেক গল্প, কবিতা ও গান আছে। 

একক কাব্যগ্রন্থ শ্যাম বালিকা যা প্রকাশিত হ ওয়ার কথা ছিল 2021 সালে কিন্তু প্রকাশকের সমস্যার জন্য এখন পর্যন্ত তা প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি। 


ফেসবুক: www.facebook.com/OfficialMuktarulIslam 
ই-মেইল: muktarulislam1234@gmail 
মোবাইল: 

Follow my Facebook 

Muktarul Islam






Comments

MS Music Tv said…
Great information. Thanks for sharing.

https://facebook.com/MSMusicTv

Popular posts from this blog

আর কতবার বললে সখি ভালবাসবি মোরে।

 আর কতবার বললে সখি ভালোবাসবি মোরে,  আর কতবার প্রার্থনা করলে সখি পাবো তোরে।  কোন কবিরাজের তাবিজ নিলে সখি তুই হবি আমার।  কোন মন্ত্র পাঠ করলে সখি পাবো আমি তোরে।  জানলে সখি বলিস আমারে, তোর জন্য  করতে পারি সব।  তোর জন্য জীবন বাজি রাখতে সখি আমি রাজি,  তবুও যেন তোরে পাই, না যেন পাই তোরে অন্যজন। আমি যে দিকেই তাকাই সখি সেই দিকেই যে তোরে দেখতে পাই,  আকাশে - পাতালে তোর ছায়া সদয় ভাসে মোর মনে। 15.12.24 4.14pm

এক ব্যশ্যার প্রেমে পড়েছিলাম

 এক ব্যশ্যার প্রেমে পড়েছিলাম, মন দেখে নয় দেহ দেখে। ভালোবেসে বিয়ে করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু ব্যশ্যা এক পুরুষে নয় সন্তুষ্ট। তাই তো তাকে ছেড়ে দিয়েছি পরিত্যক্ত নগরে, যেখানে নিত্য আসে, বাহারি রঙের পুরুষ। ছিল ব্যশ্যা একাকিত্ব, তাই দিয়েছিলাম তার সঙ্গ। একাকিত্ব জীবনে ব্যশ্যাকে করেছিলাম আপন, ব্যশ্যার মনে ছিল না ভালোবাসা,  ছিল শুধু ভোগের পিপাসা। আজ সেই ব্যশ্যার জন্য,  হাজারো পুরুষ হারিয়েছে তাদের পুরুষত্ব। 8.1.24 9.21pm

কলম্বাসের নির্মমতার প্রতিকী বিচার শুরু

নাবিক কলম্বাসের কথা সকলেই জানে। ইতিহাসে তার নাম স্বর্ণাক্ষরে লিখা। কিন্তু সত্য কোনদিন চাপা থাকেনা! ইতিহাস বড়ই নির্মম ------ কলম্বাসের নির্মমতার প্রতিকী বিচার শুরু: -------------------------------- ১৪৯২ সালের ১২ অক্টোবর। ক্রিস্টোফার কলম্বাসের নেতৃত্বে একদল অস্ত্রধারী তিনটি জাহাজে চড়ে আমেরিকার বাহামাস দ্বীপে পৌঁছান । সরলমনা স্থানীয় আদিবাসীরা তাদেরকে অতিথি হিসেবে স্বাগত জানান। কলম্বাসের একটি ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজ মেরামতও করে দেন তারা। অভ্যর্থনা জানাতে আসা আদিবাসীদের দেহে স্বর্ণের অলঙ্কার দেখে কলম্বাস অনুমান করেন আশেপাশের কোথাও স্বর্ণের খনি রয়েছে। আদিবাসীদের সরলতা কলম্বাসকে মুগ্ধ করে এ জন্য যে, তিনি খুবই কম পরিশ্রমে ওই ভূখণ্ডের সব কিছু নিজের দখলে নিতে পারবেন। তিনি আমেরিকার মূল মালিক আদিবাসীদের নিশ্চিহ্ন করার পরিকল্পনা পাকাপোক্ত করেন এবং স্পেনে গিয়ে আরও এক হাজার দুইশ’ ইউরোপীয়কে সঙ্গে নিয়ে আসেন। শুরু হয় নির্মমতা, চলে গণহত্যা।  কলম্বাস বাহিনী হিস্পানিওলা দ্বীপের একটি প্রদেশে ১৪ বছরের উপরের সব আদিবাসীকে তিন মাস পরপর একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ স্বর্ণ জমা দেওয়ার নির্দেশ জারি করেন। এই নির্দেশ মানতে যা...