Skip to main content

স্মার্টফোন মুক্তারুল ইসলাম মুক্তার

স্মার্টফোন


মুক্তারুল ইসলাম মুক্তার



আজকাল আর হয়না কথা মুঠো ফোনে।
চিঠি! সেতো অনেক আগের কথা,
এখন আর নেই বললেই চলে।

কি এক নতুন যুগরে বাবা!
দেখলে বিশ্বাসই হয়না,
মনে হয় যেন সামনাসামনি,
বসে  দুজন গল্প করছি।

সে যখন দিলো আমায় ভিডিও কল,
মনে হলো, সে চলে এলো বুঝি।
এবার তারে একটু ছুইয়ে,
দেখতে চাইল আমার মন।
কিন্তু না, কিছুতেই আমি পারছি না।

মাঝখানে এক কাঁচের দেয়াল
আমায় বিরক্ত করে অতি বেশী,
স্পর্শ যেন করতেই দেয় না
আমার প্রিয় নন্দীনিকে।

আহ! কি এক অদ্ভূদ কান্ড,
আমি যতবারই তারে স্পর্শ করার চেষ্টা করেছি,
সে ততবারই আমাকে বাধা দিয়েছে।

রাগের মাথায় হঠাৎ করে, বুদ্ধি এলো মাথায়।
সে তো আছে অনেক দূরে, আমার কাছে তো নয়।
আমি যেন তারে দেখেই পাগল হয়েছি,
ভূলেই গেছি সে যে নেই আমার কাছে।

#MuktarulIslam23 #poemblogstorywriter #Muktarul_Islam #poem #muktar #poetry

Follow us on Facebook https://facebook.com/MuktarulIslam23

Comments

Popular posts from this blog

আর কতবার বললে সখি ভালবাসবি মোরে।

 আর কতবার বললে সখি ভালোবাসবি মোরে,  আর কতবার প্রার্থনা করলে সখি পাবো তোরে।  কোন কবিরাজের তাবিজ নিলে সখি তুই হবি আমার।  কোন মন্ত্র পাঠ করলে সখি পাবো আমি তোরে।  জানলে সখি বলিস আমারে, তোর জন্য  করতে পারি সব।  তোর জন্য জীবন বাজি রাখতে সখি আমি রাজি,  তবুও যেন তোরে পাই, না যেন পাই তোরে অন্যজন। আমি যে দিকেই তাকাই সখি সেই দিকেই যে তোরে দেখতে পাই,  আকাশে - পাতালে তোর ছায়া সদয় ভাসে মোর মনে। 15.12.24 4.14pm

এক ব্যশ্যার প্রেমে পড়েছিলাম

 এক ব্যশ্যার প্রেমে পড়েছিলাম, মন দেখে নয় দেহ দেখে। ভালোবেসে বিয়ে করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু ব্যশ্যা এক পুরুষে নয় সন্তুষ্ট। তাই তো তাকে ছেড়ে দিয়েছি পরিত্যক্ত নগরে, যেখানে নিত্য আসে, বাহারি রঙের পুরুষ। ছিল ব্যশ্যা একাকিত্ব, তাই দিয়েছিলাম তার সঙ্গ। একাকিত্ব জীবনে ব্যশ্যাকে করেছিলাম আপন, ব্যশ্যার মনে ছিল না ভালোবাসা,  ছিল শুধু ভোগের পিপাসা। আজ সেই ব্যশ্যার জন্য,  হাজারো পুরুষ হারিয়েছে তাদের পুরুষত্ব। 8.1.24 9.21pm

কলম্বাসের নির্মমতার প্রতিকী বিচার শুরু

নাবিক কলম্বাসের কথা সকলেই জানে। ইতিহাসে তার নাম স্বর্ণাক্ষরে লিখা। কিন্তু সত্য কোনদিন চাপা থাকেনা! ইতিহাস বড়ই নির্মম ------ কলম্বাসের নির্মমতার প্রতিকী বিচার শুরু: -------------------------------- ১৪৯২ সালের ১২ অক্টোবর। ক্রিস্টোফার কলম্বাসের নেতৃত্বে একদল অস্ত্রধারী তিনটি জাহাজে চড়ে আমেরিকার বাহামাস দ্বীপে পৌঁছান । সরলমনা স্থানীয় আদিবাসীরা তাদেরকে অতিথি হিসেবে স্বাগত জানান। কলম্বাসের একটি ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজ মেরামতও করে দেন তারা। অভ্যর্থনা জানাতে আসা আদিবাসীদের দেহে স্বর্ণের অলঙ্কার দেখে কলম্বাস অনুমান করেন আশেপাশের কোথাও স্বর্ণের খনি রয়েছে। আদিবাসীদের সরলতা কলম্বাসকে মুগ্ধ করে এ জন্য যে, তিনি খুবই কম পরিশ্রমে ওই ভূখণ্ডের সব কিছু নিজের দখলে নিতে পারবেন। তিনি আমেরিকার মূল মালিক আদিবাসীদের নিশ্চিহ্ন করার পরিকল্পনা পাকাপোক্ত করেন এবং স্পেনে গিয়ে আরও এক হাজার দুইশ’ ইউরোপীয়কে সঙ্গে নিয়ে আসেন। শুরু হয় নির্মমতা, চলে গণহত্যা।  কলম্বাস বাহিনী হিস্পানিওলা দ্বীপের একটি প্রদেশে ১৪ বছরের উপরের সব আদিবাসীকে তিন মাস পরপর একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ স্বর্ণ জমা দেওয়ার নির্দেশ জারি করেন। এই নির্দেশ মানতে যা...